নুতন কথা দ্বিতীয় পর্ব।
ফ্যান্টাসি বা অলিক চিন্তা
দাবুদার কথাঃ ©
বাজারে হটাৎ মিনুর মানে মেনকার (প্রথম পর্ব দেখুন) সাথে
দ্যাখা ...
আরে দাবুদা না !
এত দিন কোথায়
ছিলে ... গিন্নী মা,
সিমা কত তোমার
কথা বলে। আমি ও তোমাকে কত খুজেছি... আমাদের বাড়ী আসনা কেন ?
আমিঃ আমার বন্ধু
বিজুর খবর কি ? ও বলল বিজু আর মাস দুয়েক পরে আসবে ওদের শীতের
ছুটিতে। এখন কালিম্পং বোর্ডিং এ আছে।
কিন্তু তুমি
আমাদের বাড়ী আসো না কেনও ? আমি বললাম...
বন্ধু নেই কার
কাছে যাবো ... মিনু বলল কেন আমি বুঝি বন্ধু হতে পারি না ...
আমি বললাম তুমি
তো মেয়ে ... ও বলল আরে মেয়ে আর ছেলেতেই
তো আসল বন্ধু হয়।
আমি বলি যাঃ
তা কি করে হয়... ও বলে আরে হয় হয়; ছেলেতে ছেলেতে যেমন হয়,
মেয়েতে মেয়েতেও তেমন হয় আর সব চেয়ে জমে ছেলেতে মেয়েতে। নারী পুরুষের বন্ধুত্ব সব চেয়ে সেরা বন্ধত্ব।
তারপর মিনু
বলল এইই; রাস্তায় দাঁড়িয়ে সব কথা হয় না ; তুমি আজ
দুপুরে এসো আমি গিন্নিমা কে বলে রাখব উনি ত প্রায়ই তোমাকে ডাকতে বলেন। আমি বললাম
তোমাদের কর্তা বাবু যা রাগী আমার ভয় করে ...
মেনকা বলল কোনও
ভয় নেই ... উনি ২০ দিনের জন্য টুরে গেছেন...
যাহোক,
তুমি আসছ ত ?
আমি বললাম চেষ্টা
করবো ... ও বলে চেষ্টা না, এস প্লিস তোমাকে আমি বন্ধু করবো। ©
মিনুর
নিমন্ত্রণ আমাকে ভীষণ উত্তেজিত করে ছিল এবং অপার কৌতূহল আর আশঙ্কা নিয়ে ; আমি
বিজুদের বাড়ী গিয়েছিলাম তখন বিজুর বোন সিমা ছিল না স্কুলে গিয়ে ছিল বিজুর মা
দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন, মিনু আমাকে ওদের বাগানে পরিত্যক্ত মালীর ঘরে নিয়ে গেল।
ওই ঘরে আমরা
দুজন, চারিদিক নিস্তব্ধ কেউ কোথাও নেই। মিনুর পরনে লাল ব্লাউস বুকের বোতাম খোলা
আমার দু কাঁধে হাত রেখে ও বলল দাবু আমি
তোমাকে ভালবেসেছি, তোমাকে চাই। আমিঃ কেন ভালবেসেছ ? মিনুঃ শুনবে সে অনেক কথা। আমিঃ বলো, আমি শুনবো। মিনু বলল, দাবু তুমি ত জান, যে
আমি এদের বাড়ীর কাজের মেয়ে।
সে কথা
মিথ্যে না আবার মিথ্যাও।
কে আমার মা
কে আমার বাবা ? শোনো, আমি বেশ্যার গর্ভে বিজুর বাবার ঔরসে জন্মেছি, আমি এক বেশ্যার
মেয়ে। আবার আমার বাবা ই আমার কামগুরু। (প্রথম পর্ব দেখুন)
তবে নিজের বাবার সাথে কাম লিলা করে আমি অদ্ভুত যৌন
আনন্দ পাই বটে কিন্তু কি যেন একটা অভাব থেকে যায়, বাবা আমাকে কত রখম করে করেন। কত
রখম কাম লীলা শিখিয়েছেন। শরীর পুলকিত হয় যৌন আবেশে ভরে উঠে, তবু একটা কিছুর অভাব
থেকে যায়। মন ভরে না।
মালীর ঘরে
বিজু ও তোমার সমকাম লীলা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে ভাবতাম ইস্ দাবু কি সুন্দর বউ কে ভালবাসবে। তারপর
আমার কি যে হল সব সময় কেবল তোমার কথা মনে হত, তোমার ভালবাসা তোমার প্রেম পেতে, তোমার সাথে করতে খুব
ইচ্ছে করতো। ও আমার হাত
দুটো ধরে বলল দাবু কোন কিছু গোপন না করে সব খুলে বললাম, এবার তুমি বল।
আমার জীবনে
এই প্রথম কোন একটা মেয়ে আমার এত কাছে এসে আমার হাত দুটো ধরে আমাকে প্রেম দিল আমাকে
সেক্স নিবেদন করলো। আমি বিহ্বল হয়ে ওকে এক হাত দিয়ে বুকের কাছে টেনে নিলাম।
বললাম মিনু
তুমি ত জান না তুমি কত সুন্দর দেখতে, আর তোমার গলার আওয়াজ কি মিষ্টি। তোমাকে
দেখলেই জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে। আমি ত
কল্পনা করতে পারিনা যে তোমার মত মেয়ের ভালবাসা পাবো। আমি নিজেকে এত ভাগ্যবান ভাবতে
পারছিনা। তুমি কি সত্যি বলছ ? ©
মিনুঃ আমি
বেশ্যার মেয়ে হলেও আমি মানুষ আমি নারী আমার প্রেমের ফুল তোমাকে দিয়েছি। এর চেয়ে বড়
সত্যি নেই।
আমিঃ ওঃ
মিনু…
মিনু আমার। মিনু আমি
আই লাভ ইউ। সেই শুরু... আমাকে বালক থেকে পুরুষ তৈরি করেছিল সে;
মালীর ঘরে নিয়ে
আমাকে কত আদর করেছিল।
আমাকে
শিখিয়েছিল কি করে মেয়েদের শরীরে ছেলেদের শরীর মিশিয়ে সুখ পেতে হয়। ও নিজের হাতে নিজের যোনীতে আমার লিঙ্গ ঢুকিয়ে নিয়ে আমাকে
দেখিয়ে ছিল মেয়েদের যোনী কোথায় থাকে কেমন দেখতে হয়। সেই প্রথম আমার মেয়েদের সুন্দর
ওটা দেখা। ও তারপর আমাকে সঙ্গম করা শিখিয়ে ছিল। ওঃ সে যে কি আরাম কি সুখ পেয়েছিলাম
কি বলব। সে অনুভূতি অকল্পনীয় অপূর্ব, মানব জীবনের পরম সম্পদ।
আমরা মালীর
ঘরে প্রায়ই সঙ্গম করতাম ও আমার লিঙ্গ চোষণ করে দিত। আমাকে দিয়ে যোনী আর পাছা দুটোতেই লিঙ্গ ঢুকিয়ে সঙ্গম করতে শিখিয়ে ছিল। আহা আহা কি সুখ কি সুখ; রতি-ক্রিয়ার মত সুখ এ
জগতে আর কিছু নেই।
ও ছিল একজন
শিল্পী কামলীলা ওর কাছে ছিল যেন একটা মহৎ
শিল্প। মন প্রান দিয়ে কি নিপুন ভাবে ও সঙ্গম করত ও করাতো। ও বলেছিল তোমাকে
আমি পুরুষ করে দিলাম এখন তুমি পুরুষ হয়ে গেলে। তোমার পুরুষ শরীর কিছু কাল পরে নূতন নারী শরীর চাইবে তখন
লজ্জা কোরও না, আমাকে বোলে কোরও ; কেবল কথা দাও “কক্ষনো জোর করে কাউকে ধর্ষণ করবে না”।
আমি আশ্চর্য
হয়ে গিয়েছিলাম, কি বলছ ; আমি তোমাকে ছেড়ে অন্য মেয়েকে ভালবাসবো ? ও বলেছিল তা কেন
ভালবাসা আর যৌন ক্ষুদা এক নয়। সেক্স পরিবর্তন চায়। পুরুষ ও নারী দুজনেই চায়। বহুগামিতা স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক চাহিদা।
আমি জিজ্ঞেস
করেছিলাম তুমিও কি অন্যের সাথে করবে ? ও বলেছিল দাবু আমাদের সমাজে বিয়ে করা বউ বা
বর ছাড়া অন্যের সাথে সেক্স করা অপরাধ।
অথচ প্রকৃতি
নরনারীর যৌন চাহিদা সৃষ্টি করে আবার আমাদের সমাজ তা প্রতিরোধ করে ; এই টানা পোড়েন
এর ফল স্বরূপ আমাদের অর্থাৎ বেশ্যাদের সৃষ্টি হয়েছে। বেশ্যারা আছে তাই অনেক মা বোন
নিষ্কৃতি পায়। আর আমি বেশ্যার মেয়ে বেশ্যা আমার জন্মই তো পুরুষের যৌন চাহিদা
মেটানর জন্য। ও বলত দাবু তুমি আমার প্রথম প্রেম আমার শেষ প্রেম।
আমি ওকে
জিজ্ঞেস করে ছিলাম, আমাদের প্রেমের পরিণতি কি। উত্তরে ও বলেছিল ; পরিণতি আর যাই
হোক বিয়ে নয়। আমরা স্বামী স্ত্রী হবনা। আমি জানতে চেয়েছিলাম তবে আমরা কি করবো।
বলে ছিল ও একটা নূতন কাজ শুরু করতে চায় আমাকে নিয়ে ;
যদি আমি রাজী থাকি। কি কাজ জানতে চাওয়ায় ও বলেছিল ‘নর নারী নির্বিশেষে যৌন আনন্দ দেওয়া আর নূতন
দের যৌন শিক্ষা দেওয়া’। এ ভাবেই ও সমাজ সেবা করতে এবং সমাজের রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে
লড়াই করতে চায়। আমি ওর সাথে সারা জীবন থাকতে
রাজী হয়েছিলাম। মিনু
আর আমি সেদিন থেকে ‘যৌন বিপ্লবের ব্রত’ নিয়ে ছিলাম।
ক্রমশঃ ©
Writer ‘b’
