Translate

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৩

নতুন কথা ২য় পর্ব

নুতন কথা দ্বিতীয় পর্ব
ফ্যান্টাসি বা অলিক চিন্তা 
দাবুদার কথাঃ ©

বাজারে হটাৎ মিনুর মানে মেনকার (প্রথম পর্ব দেখুন) সাথে দ্যাখা  ... আরে দাবুদা না ! এত দিন কোথায় ছিলে ... গিন্নী মা, সিমা কত তোমার কথা বলে। আমি ও তোমাকে কত খুজেছি... আমাদের বাড়ী আসনা কেন ? আমিঃ আমার বন্ধু বিজুর খবর কি ? ও বলল বিজু আর মাস দুয়েক পরে আসবে ওদের শীতের ছুটিতে। এখন কালিম্পং বোর্ডিং এ আছে। কিন্তু তুমি আমাদের বাড়ী আসো না কেনও ? আমি বললাম... বন্ধু নেই কার কাছে যাবো ... মিনু বলল কেন আমি বুঝি বন্ধু হতে পারি না ... আমি বললাম তুমি তো মেয়ে ... ও বলল আরে মেয়ে আর  ছেলেতেই  তো আসল বন্ধু হয়।
আমি বলি যাঃ তা কি করে হয়... ও বলে আরে হয় হয়; ছেলেতে ছেলেতে যেমন হয়, মেয়েতে মেয়েতেও তেমন হয় আর সব চেয়ে জমে ছেলেতে মেয়েতে নারী পুরুষের বন্ধুত্ব সব চেয়ে সেরা বন্ধত্ব।
তারপর মিনু বলল এইই; রাস্তায় দাঁড়িয়ে সব কথা হয় না ; তুমি আজ দুপুরে এসো আমি গিন্নিমা কে বলে রাখব উনি ত প্রায়ই তোমাকে ডাকতে বলেন। আমি বললাম তোমাদের কর্তা বাবু যা রাগী আমার ভয় করে ... মেনকা বলল কোনও ভয় নেই ... উনি ২০ দিনের জন্য টুরে গেছেন... যাহোক, তুমি আসছ ত ? আমি বললাম চেষ্টা করবো ... ও বলে চেষ্টা না, এস প্লিস তোমাকে আমি বন্ধু করবো। ©
মিনুর নিমন্ত্রণ আমাকে ভীষণ উত্তেজিত করে ছিল এবং অপার কৌতূহল আর আশঙ্কা নিয়ে ; আমি বিজুদের বাড়ী গিয়েছিলাম তখন বিজুর বোন সিমা ছিল না স্কুলে গিয়ে ছিল বিজুর মা দিবানিদ্রা দিচ্ছিলেন, মিনু আমাকে ওদের বাগানে পরিত্যক্ত মালীর ঘরে নিয়ে গেল
ওই ঘরে আমরা দুজন, চারিদিক নিস্তব্ধ কেউ কোথাও নেই। মিনুর পরনে লাল ব্লাউস বুকের বোতাম খোলা আমার দু কাঁধে হাত রেখে ও বলল  দাবু আমি তোমাকে ভালবেসেছি, তোমাকে চাই। আমিঃ কেন ভালবেসেছ ? মিনুঃ শুনবে সে অনেক কথা। আমিঃ  বলো, আমি শুনবো। মিনু বলল, দাবু তুমি ত জান, যে আমি এদের বাড়ীর কাজের মেয়ে।
সে কথা মিথ্যে না আবার মিথ্যাও।
কে আমার মা কে আমার বাবা ? শোনো, আমি বেশ্যার গর্ভে বিজুর বাবার ঔরসে জন্মেছি, আমি এক বেশ্যার মেয়ে। আবার আমার বাবা ই আমার কামগুরু। (প্রথম পর্ব দেখুন)
তবে নিজের বাবার সাথে কাম লিলা করে আমি অদ্ভুত যৌন আনন্দ পাই বটে কিন্তু কি যেন একটা অভাব থেকে যায়, বাবা আমাকে কত রখম করে করেন। কত রখম কাম লীলা শিখিয়েছেন। শরীর পুলকিত হয় যৌন আবেশে ভরে উঠে, তবু একটা কিছুর অভাব থেকে যায়। মন ভরে না।
মালীর ঘরে বিজু ও তোমার সমকাম লীলা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে ভাবতাম ইস্ দাবু কি সুন্দর বউ কে ভালবাসবে। তারপর আমার কি যে হল সব সময় কেবল তোমার কথা মনে হ, তোমার ভালবাসা তোমার প্রেম পেতে, তোমার সাথে করতে খুব ইচ্ছে করতোও আমার হাত দুটো ধরে বলল দাবু কোন কিছু গোপন না করে সব খুলে বললাম, এবার তুমি বল।    
আমার জীবনে এই প্রথম কোন একটা মেয়ে আমার এত কাছে এসে আমার হাত দুটো ধরে আমাকে প্রেম দিল আমাকে সেক্স নিবেদন করলো। আমি বিহ্বল হয়ে ওকে এক হাত দিয়ে বুকের কাছে টেনে নিলাম।
বললাম মিনু তুমি ত জান না তুমি কত সুন্দর দেখতে, আর তোমার গলার আওয়াজ কি মিষ্টি। তোমাকে দেখলেই জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে  করে। আমি ত কল্পনা করতে পারিনা যে তোমার মত মেয়ের ভালবাসা পাবো। আমি নিজেকে এত ভাগ্যবান ভাবতে পারছিনা।  তুমি কি সত্যি বলছ ?  ©
মিনুঃ আমি বেশ্যার মেয়ে হলেও আমি মানুষ আমি নারী আমার প্রেমের ফুল তোমাকে দিয়েছি। এর চেয়ে বড় সত্যি নেই।
আমিঃ ওঃ মিনু মিনু আমার মিনু আমি আই লাভ ইউ। সেই শুরু... আমাকে বালক থেকে পুরুষ তৈরি করেছিল সে; মালীর ঘরে নিয়ে আমাকে কত আদর করেছিল। 
আমাকে শিখিয়েছিল কি করে মেয়েদের শরীরে ছেলেদের শরীর মিশিয়ে সুখ পেতে হয় ও নিজের হাতে নিজের যোনীতে আমার লিঙ্গ ঢুকিয়ে নিয়ে আমাকে দেখিয়ে ছিল মেয়েদের যোনী কোথায় থাকে কেমন দেখতে হয়। সেই প্রথম আমার মেয়েদের সুন্দর ওটা দেখা। ও তারপর আমাকে সঙ্গম করা শিখিয়ে ছিল। ওঃ সে যে কি আরাম কি সুখ পেয়েছিলাম কি বলব। সে অনুভূতি অকল্পনীয় অপূর্ব, মানব জীবনের পরম সম্পদ।
আমরা মালীর ঘরে প্রায়ই সঙ্গম করতাম ও আমার লিঙ্গ চোষণ করে দিত। আমাকে দিয়ে যোনী আর পাছা  দুটোতেই লিঙ্গ ঢুকিয়ে সঙ্গম করতে শিখিয়ে ছিল।  আহা আহা কি সুখ কি সুখ; রতি-ক্রিয়ার মত সুখ এ জগতে আর কিছু নেই।
ও ছিল একজন শিল্পী কামলীলা ওর কাছে ছিল যেন একটা মহৎ  শিল্প। মন প্রান দিয়ে কি নিপুন ভাবে ও সঙ্গম করত ও করাতো। ও বলেছিল তোমাকে আমি পুরুষ করে দিলাম এখন তুমি পুরুষ হয়ে গেলেতোমার পুরুষ শরীর কিছু কাল পরে নূতন নারী শরীর চাইবে তখন লজ্জা কোরও না, আমাকে বোলে কোরও ; কেবল কথা দাও কক্ষনো জোর করে কাউকে ধর্ষণ করবে না
আমি আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলাম, কি বলছ ; আমি তোমাকে ছেড়ে অন্য মেয়েকে ভালবাসবো ? ও বলেছিল তা কেন ভালবাসা আর যৌন ক্ষুদা এক নয়। সেক্স পরিবর্তন চায়। পুরুষ ও নারী দুজনেই চায় বহুগামিতা স্বাভাবিক এবং প্রাকৃতিক চাহিদা।   
আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম তুমিও কি অন্যের সাথে করবে ? ও বলেছিল দাবু আমাদের সমাজে বিয়ে করা বউ বা বর ছাড়া অন্যের সাথে সেক্স করা অপরাধ
অথচ প্রকৃতি নরনারীর যৌন চাহিদা সৃষ্টি করে আবার আমাদের সমাজ তা প্রতিরোধ করে ; এই টানা পোড়েন এর ফল স্বরূপ আমাদের অর্থাৎ বেশ্যাদের সৃষ্টি হয়েছে। বেশ্যারা আছে তাই অনেক মা বোন নিষ্কৃতি পায়। আর আমি বেশ্যার মেয়ে বেশ্যা আমার জন্মই তো পুরুষের যৌন চাহিদা মেটানর জন্য। ও বলত দাবু তুমি আমার প্রথম প্রেম আমার শেষ প্রেম
আমি ওকে জিজ্ঞেস করে ছিলাম, আমাদের প্রেমের পরিণতি কি। উত্তরে ও বলেছিল ; পরিণতি আর যাই হোক বিয়ে নয়। আমরা স্বামী স্ত্রী হবনা। আমি জানতে চেয়েছিলাম তবে আমরা কি করবো।
বলে ছিল   ও একটা নূতন কাজ শুরু করতে চায় আমাকে নিয়ে ; যদি আমি রাজী থাকি। কি কাজ জানতে চাওয়ায় ও বলেছিল ‘নর নারী নির্বিশেষে যৌন আনন্দ দেওয়া আর নূতন দের যৌন শিক্ষা দেওয়া’। এ ভাবেই ও সমাজ সেবা করতে এবং সমাজের রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে চায়।    আমি ওর সাথে সারা জীবন থাকতে রাজী হয়েছিলাম। মিনু আর আমি সেদিন থেকে ‘যৌন বিপ্লবের ব্রত’ নিয়ে ছিলাম। 
ক্রমশঃ ©
Writer ‘b’


শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৩

Net world a human created fantasy


Net world a human created fantasy
Nothing is true but nothing is false here
Possible here to be a friend of unknown


With the help of chain of fonts only





ব্লগার: SEX STORY FANTASY (যৌন গল্পের দিবা স্বপন) - পোস্ট তৈরি করুন

ব্লগার: SEX STORY FANTASY (যৌন গল্পের দিবা স্বপন) - পোস্ট তৈরি করুননতুন কথা
ফ্যান্টাসি বা অলিক চিন্তা 
                                                                   ©
মনের যে সব বাসনা/কামনা বাস্তবে অর্থাভাব বা সামাজিক কারনে পুরন হয়না সে গুলি পেয়েছি বা করছি কল্পনা করে, চটি গল্প পড়ে / পর্ণ ভিডিও দেখে , স্ত্রী,পুরুষের  মনে/শরীরে  সুখের অনুভূতি জাগে। হরমোনের নিঃসরণ হয়। শরীর মন চাঙ্গা হয়। বিশেষ করে যৌন ইচ্ছার ক্ষেত্রে।  ©
আগেকার সময়ে লোকে বটতলার চটি বই লুকিয়ে পড়ে আনন্দ পেত। এখন কার দিনে ইন্টারনেট এর দৌলতে যৌন গল্প বা যৌন ছবি একান্ত সুলভ, এমন কি এখন অনেকে নিজের কথা  ব্লগ করে পোস্ট করছেন। এ রখম একটা পোস্ট পড়ুনঃ
*************************************
সে ছিল আমার মেয়ে বন্ধু নাম তার মেনকা আমার বন্ধু বিজুদের বাড়ির কাজের মেয়ে। সে আমাকে যৌন সঙ্গম শিখীয়ে ছিল। আমাকে ভালবেসে ছিল।  সে তার জীবনের কথা সব বলেছিল।
মেনকার কথাঃ ©
মেনকা বলেছিল  তার বাবা কে তা সে জানেনা; এক বেশ্যার ঘরে তার জন্ম, এ পৃথিবীতে তার আপন জন বলতে শুধু মা ই ছিল। তার মা খুব সুন্দর দেখতে ছিল আর খুব সুন্দর গান গাইত।
তার বেশ্যা মায়ের ঘরে বিজু ও সিমার বাবা এই কর্তা বাবু আসতেন। সে তখন খুব ছোট ছিল। কর্তা বাবু ওকে অনেক খেলনা দিতেন। ও কর্তা বাবুকে খুব ভালবাসত
যখন তার দশ বছর বয়স তার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্রমে অবস্থা সঙ্গিন হয় ওখানকার লোকেরা তার মা কে হাঁসপাতালে ভর্তি করে দেয়
হাঁসপাতালে মায়ের তখন শেষ সময় উপস্তিত, ডাক্তার রা জবাব দিয়ে গেছেন “তবুও পরাণটা জেন আটকে ছিল”
হাঁসপাতালে মাকে দেখতে গিয়ে ছিলেন এই কর্তা বাবু
যখন কর্তা বাবু তার মায়ের কপালে হাত রাখেন কর্তা বাবুকে দেখতে পেয়ে ওর মা কোনমতে পাশে দাঁড়ানো মেনকার হাত  আর কর্তা বাবুর হাত ধরেন, দু চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে আসে কিছু বলতে চেষ্টা করেন ; গলা দিয়ে শুধু একটা গোঙানির আওয়াজ আসে কথা ফোটেনা এবং শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
সেই থেকে সে বিজুদের বাড়ীতে আছে। আগে ছোট ছিল সব বুঝতে পারত না। যে বেশ্যা বস্তিতে ওরা থাকতো সেটা এখান থেকে অনেক দূরে, জায়গাটার ঠিকানা ওর মনে পড়ে না। তবে মনে পড়ে বিজুর বাবা কোন কোন রাত্রে ওদের বাড়ী খাবার দাবার, ফুলের মালা হাতে জড়িয়ে যেতেন
ও কে নিয়ে এসে কর্তা বাবু বাড়ীতে বলে ছিলেন ও এক বুড়ীর কাছে থাকতো তাকে মা বোলত সে বুড়ী মারা গেছে
ওখান কার অফিসের লোকেরা বলেছে বড়বাবু আপনি মেয়েটিকে নিয়ে যান,ওর কেউ নেই তাই ওকে নিয়ে এসেছেন। সেই থেকে ও বিজুদের বাড়ীতে আছে।
বিজুর মা তার ছেলে মেয়ে আর ঠাকুর ঘর নিয়ে সব সময় ব্যাস্ত থাকেন,  কর্তার ধারে কাছে প্রায় ঘেঁষেন না আর কর্তাও আলাদা একটা ঘরে নিজের মনে থাকেন দুজনে যে যার নিজের মত থাকেন, খুব প্রয়োজন ছাড়া কথাবার্তা ও হয়না। কর্তা ও গিন্নীর সম্পর্ক বড়ই অদ্ভুত ছিল।  
 মেনকাই কর্তার কাজ করে,ফাইফরমাশ খাটে; যখন কর্তা টুরে যান তখন বাড়ীর সব কাজ ওকে করতে হয়। মেনকা ছোট থেকে কর্তা কে তার মার ঘরে দেখেছে তাই কর্তাকে ওর নিজের লোক মনে হত।
বাড়ীর ওন্যান্য সবাই ওর সাথে ভাল ব্যাবহার করে বটে,  তবে ওতো স্কুল এ পড়ে না তাই বাড়ীর কাজেও হাত লাগায়। তবে ওর পড়াশুনা করার খুব ইচ্ছা হয় তাই সিমার কাছে নিজে থেকেই পড়ে। সিমার সাথে খুব ভাব ওর। দুজনে প্রায় সমবয়সি।  এই ভাবেই চলছিল। কয়েক বছর এ ভাবেই কেটে গেল। মেনকা এখন পড়তে লিখতে ভালই শিখেছে ইংরাজী পড়তে লিখতেও পারে ; ওর লেখাপড়ার দিকে খুব ঝোঁক। মেনকার এখন ১৩ বছর পূর্ণ হয়ে ১৪ চলছে, বাড়ন্ত গড়ন বুক ভরা স্তন দুটা, বেশ পাকা আপেল এর মত হয়েছে।
মেনকার কথাঃ
মেনকা কর্তা বাবুর পাশে বসে পা টীপে দিচ্ছিল, যেমন রোজই দেয়, একটা তাকিয়া হেলান দিয়ে কর্তা বাবু শুয়ে টেপা উপভোগ করতে করতে মেনকার পিঠে হাত রাখলেন তারপর খুব আস্তে আস্তে বোলাতে থাকলেন মেনকার শরীর কেঁপে উঠলো ... বেশ কিছুক্ষন উনি মেনকার পিঠে ঘাড়ে গালে কানে হাত বোলালেন।
মেনকা বুঝতে পারছে না আজ কর্তা বাবু কেন এতো আদর করছেন
 ১৪ বছরের মেয়ে জীবনে এই প্রথম পুরুষের আদর ... ওর ভাল লাগছে এই রখম আদর পেতে ... কর্তা বাবু হাত বোলাতে বোলাতে ওকে বুকের মাঝে টেনে নিলেন ওকে আস্তে করে চুমু দিতে থাকলেন মেনকার শরীর গরম হয়ে উঠলো ... কর্তা বাবু ওর আপেল গুলো টিপতে লাগলেন ... ও বলে তখন ওর শরীর কাঁপছিল তাই ও কর্তা কে জড়িয়ে ধরে ছিল। কর্তা বাবুর খালি গা পরনে একটা লুঙ্গি ছিল। উনি মেনকার কামিজ টা খুলে দিলেন তারপর আপেল দুটো একটা করে চুষতে লাগলেন,মেনকার শরীর গরম হয়ে উঠলো ওর গরম নিঃশ্বাস কর্তার শরীরে পড়েছিলো, স্তনে চোষা পেতে ওর খুব ভাল লেগেছিল ও কর্তা বাবুর মাথাটা নিজের বুকের এর উপর চেপে ধরেছিল। কর্তাও স্তন  চুষতে চুষতে মেনকার পিঠে পাছায় টীপতে থাকলেন তারপর ওর পেটে নাভীতে চাটতে চুমু দিতে দিতে সালোয়ার উপর দিয়ে ওর গোপন সম্পদ এর উপর মুখ ঘসতে লাগলেন। মেনকার আঃ উম্ম আওয়াজ করতে করতে পা দুটা আপনা থেকেই ফাঁক হয়ে গিয়েছিলকর্তা দড়ি খুলে সালোয়ার নামিয়ে দিয়েছিলেন, মেনকা পুরা ন্যাংটো আর উনি মেনকার জিভ চুষতে চুষতে মেনকার সম্পদের ডালা খুলে আঙ্গুল চালাতে থাকলেন.. তারপর ওস্তাদ কর্তা মেনকার সম্পদে জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন ; জীবনের প্রথম যৌন সুখের অনুভুতিতে মেনকার শরীর ভরে উঠেছিলো,ও কর্তার মাথাটা যোনির উপর চেপে ধরেছিল,কর্তা ও এমন টাটকা কচি যোনি পেয়ে প্রান ভরে চুষে চুষে রস খেলেন।
এবার কর্তা তার লিঙ্গটা মেনকার কচি যোনীতে একটু একটু করে ঢুকিয়ে দিলেন তারপর ধীরে ধীরে সঙ্গম শুরু করলেন     ©
কিন্তু মেনকা ব্যাথা পেয়ে বলে উঠেছিল; “বাবা আমার ব্যাথা লাগছে কর্তা বলেছিলেন, লক্ষ্মী মা আমার একটু সঝ্য কর তারপর খুব আরাম পাবি”, এই ভাবে ধীর লয়ে আরও কয়েক মিনিট সঙ্গম করে উনার রক্তাত লিঙ্গ বার করে ওকে নিয়ে পাশের টয়লেট এ সব নিজের হাতে পরিস্কার করে কি একটা মলম লাগিয়ে দিয়েছিলেন।
তারপর বিছানায় নিয়ে আদরে আদরে স্তন চুষে চুষে ওকে সুখের সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন।  এই ভাবে কর্তা সতীচ্ছদ ফাটিয়ে কুমারী মেনকাকে বালিকা থেকে নারী তে রুপান্তরিত করে দিয়েছিলেন
সেদিন রাতে ঘুমের মধ্যে মেনকা একটা অদ্ভুত সপ্ন দেখেছিল ...সে যেন একটা ছোটও ঘরে উঁচু একটা বিছানায় শুয়ে আছে ... দেয়ালে ওনেক সব ঠাকুরের ক্যালেন্ডার টাঙ্গানো ... বিছানার পাশে একটা ছোট টেবিল তার উপর গেলাস বোতল ... সে শুয়ে আছে ন্যাংটো হয়ে ... বিশাল দেহ এক পুরুষ ওর ছোটও যোনী টাতে একটা মোটা লিঙ্গ ঢুকিয়ে খুব জোরে জোরে সঙ্গম করছে ; আর ওর খুব সুখ হচ্ছে ... তারপর ... ও যেন ওর মা হয়ে গেছে আর পুরুষ টা কর্তা বাবু হয়ে লিঙ্গ দিয়ে সঙ্গম করছেন আর ও বলছে জোরে জোরে কর আরও জোরে.. আঃ আঃ উঃ উম্মম্ম...
হটাৎ একটা বিকট আওয়াজে ওর ঘুম ভেঙ্গে গেল। জেগে উঠে দ্যাখে বাইরে বৃষ্টি পড়ছে খুব জোরে আবার একটা বাজ পড়ল। সকাল হয়ে গ্যাছে  
সেদিন হতে মেনকার নারী জীবন শুরু হয়েছিল...   

ক্রমশঃ ©
Writer ‘b’